মুসা (আ.) বনাম ফেরাউন | শৈশবের হিফাজত ও আল্লাহর পরিকল্পনা
- লিংক কপি
- ফেসবুক
- টুইটার / X
- হোয়াটসঅ্যাপ
- লাইট বন্ধ
আসসালামু আলাইকুম। আজকের পোস্টে আমরা আলোচনা করব হজরত মুসা (আ.)-এর জীবনের প্রথম অধ্যায় নিয়ে — ফেরাউনের অত্যাচার, নীলনদে ভাসিয়ে দেওয়া এবং আল্লাহর অপূর্ব হিফাজতের কাহিনি। এটি কোরআনে বর্ণিত সত্য ঘটনা।
কাহিনি সংক্ষেপে
ফেরাউন স্বপ্ন ও ভবিষ্যদ্বাণীর ভয়ে বনী ইসরাঈলের নবজাতকদের উপর নিষ্ঠুর আদেশ জারি করেছিল। আল্লাহর ইচ্ছায় মুসা (আ.)-কে একটি সিন্দুকে করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি ফেরাউনের প্রাসাদে পৌঁছান এবং আছিয়া (আ.)-এর স্নেহে বেড়ে ওঠেন। আল্লাহর পরিকল্পনায় তিনি আবার নিজ মায়ের কাছেই ফিরে আসেন।
মানুষ যা ভয় পায়, আল্লাহ তাঁর ইচ্ছায় সেখান থেকেই পথ বের করে দেন।
এ থেকে কী শিক্ষা পাই?
- আল্লাহর পরিকল্পনা মানুষের পরিকল্পনার ঊর্ধ্বে
- জালেমের শক্তি আল্লাহর কুদরতের সামনে অসহায়
- মায়ের দোয়া ও তাওয়াক্কুলের মূল্য অপরিসীম
- বিপদেও আল্লাহর উপর ভরসা রাখা যায়
কোরআনের শিক্ষা
মুসা (আ.)-এর কাহিনি কোরআনের একাধিক সূরায় বর্ণিত। এতে বোঝা যায় — আল্লাহ যাকে সম্মান দিতে চান, তাকে হিফাজত করেন। ফেরাউনের অহংকার শেষ পর্যন্ত ধ্বংস হয়েছে। আজকের জীবনেও জুলুম ও অহংকারের পরিণতি স্মরণ রাখা দরকার।
শেষ কথা
আল্লাহ আমাদের সবাইকে মুসা (আ.)-এর কাহিনি থেকে শিক্ষা নেওয়ার তৌফিক দিন, জালেমদের থেকে হিফাজত করুন এবং তাওয়াক্কুলের সাথে জীবন যাপনের ক্ষমতা দান করুন। আমীন।
নোট: এই পোস্টে কোরআনের আলোকে শিক্ষণীয় আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে। কোনো কপিরাইটযুক্ত স্ক্রিপ্ট কপি করা হয়নি। ভিডিও অফিসিয়াল ইউটিউব থেকে এমবেড করা হয়েছে।
ওয়াজ গজল হাদিস দেখে আপনার মতামত কমেন্টে জানান
শুধু অফিসিয়াল ওয়াজ গজল হাদিস শেয়ার করা হয় • কোনো ডাউনলোড লিংক নেই