আব্দুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর মুরিদ ও জালেম সুলতানের কাহিনি | শিক্ষণীয় ঘটনা
- লিংক কপি
- ফেসবুক
- টুইটার / X
- হোয়াটসঅ্যাপ
- লাইট বন্ধ
আসসালামু আলাইকুম। আজকের পোস্টে আমরা আলোচনা করব বড় পীর হজরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর এক মুরিদ এবং এক জালেম সুলতানের প্রচলিত কাহিনি নিয়ে। এই গল্প থেকে জুলুম, তওবা এবং আল্লাহর ইনসাফের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়।
কাহিনি সংক্ষেপে
প্রচলিত বর্ণনা অনুসারে, এক অত্যাচারী সুলতান গরিবের হক কেড়ে সম্পদ জমাতেন। এমন সময় আল্লাহর এক ওলীর মুরিদ সেখানে উপস্থিত হন। জুলুমের পরিণতি কী হয় এবং পরে সুলতানের কী অবস্থা হয় — সেই শিক্ষণীয় কাহিনি অনেকেই শোনান।
এটি একটি প্রচলিত মোরাল স্টোরি। এর প্রতিটি অংশ যে ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত, এমন দাবি এখানে করা হচ্ছে না। তবে এর শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
এ থেকে কী শিক্ষা পাই?
- জুলুম দীর্ঘস্থায়ী হয় না — আল্লাহর ইনসাফ আছে
- গরিবের হক নষ্ট করা কঠিন গুনাহ
- ক্ষমতা ও সম্পদ অহংকারের কারণ হলে পতন আসে
- তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করতে পারেন
আমাদের জীবনে প্রয়োগ
আজকের যুগেও কেউ পদ, টাকা বা প্রভাব দিয়ে অন্যায় করলে মনে রাখা দরকার — হিসাব আছে। ছোট হোক বা বড়, কারও হক নষ্ট করা যাবে না। সাথে নম্রতা, ইনসাফ এবং তাকওয়া অবলম্বন করা মুমিনের পরিচয়।
কারামত বা অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বড় বিষয় হলো — আল্লাহর ভয় এবং মানুষের প্রতি ইনসাফ। এগুলোই আখিরাতের পাথেয়।
শেষ কথা
আব্দুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর মুরিদ ও জালেম সুলতানের এই প্রচলিত কাহিনি আমাদেরকে জুলুম ত্যাগ করে ইনসাফ ও তওবার পথে চলতে বলে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে জুলুম থেকে বাঁচান, হক আদায় করার তৌফিক দিন এবং সঠিক পথে রাখুন। আমীন।
নোট: এই পোস্টে প্রচলিত শিক্ষণীয় কাহিনির আলোকে আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে। কোনো কপিরাইটযুক্ত স্ক্রিপ্ট কপি করা হয়নি। ভিডিও অফিসিয়াল ইউটিউব থেকে এমবেড করা হয়েছে।
ওয়াজ গজল হাদিস দেখে আপনার মতামত কমেন্টে জানান
শুধু অফিসিয়াল ওয়াজ গজল হাদিস শেয়ার করা হয় • কোনো ডাউনলোড লিংক নেই