বড় পীর আব্দুল কাদির জিলানী (রহ.) ও এক অহংকারী মাঝির কাহিনী।। Salam Voice
- লিংক কপি
- ফেসবুক
- টুইটার / X
- হোয়াটসঅ্যাপ
- লাইট বন্ধ
আসসালামু আলাইকুম। আজকের পোস্টে আমরা আলোচনা করব বড় পীর হজরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহ.) এবং এক অহংকারী মাঝির প্রচলিত কাহিনি নিয়ে। এই গল্প থেকে অহংকার, দয়া এবং আল্লাহর উপর ভরসার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়।
কাহিনি সংক্ষেপে
প্রচলিত বর্ণনা অনুসারে, বাগদাদের দজলা নদীর তীরে জাবির নামে এক মাঝি ছিলেন। তিনি অহংকারী ও নিষ্ঠুর স্বভাবের ছিলেন। গরিব ও অসহায় মানুষদের প্রতি তাঁর ব্যবহার ভালো ছিল না। একদিন সেই পথে হজরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহ.) যাচ্ছিলেন। মাঝির অহংকার ও বেয়াদবির কারণে পরিস্থিতি পরিবর্তন হয় এবং তিনি বিপদে পড়েন। পরে তওবা করে সঠিক পথে ফিরে আসেন — এমনটিই বলা হয়ে থাকে।
এটি একটি প্রচলিত শিক্ষণীয় কাহিনি। এর প্রতিটি অংশ যে ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত, এমন দাবি এখানে করা হচ্ছে না। তবে শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
এ থেকে কী শিক্ষা পাই?
- অহংকার মানুষকে পতনের দিকে নিয়ে যায়
- ধন-সম্পদ বা ক্ষমতাই বড়ত্ব নয় — দয়া ও তাকওয়াই আসল
- গরিব-অসহায়দের প্রতি সদাচরণ করা ইবাদত
- তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করেন
আমাদের জীবনে প্রয়োগ
আজকের যুগেও অনেকে পদ, টাকা বা প্রভাব দেখিয়ে অহংকার করেন। এই কাহিনি মনে করিয়ে দেয় — আল্লাহর কাছে মর্যাদা পাওয়ার উপায় হলো নম্রতা, দয়া এবং আনুগত্য। ছোট করে কাউকে দেখা বা অসহায়কে কষ্ট দেওয়া কখনো মুমিনের কাজ নয়।
বিপদে পড়লে তওবা করা এবং নিজেকে সংশোধন করাই মুক্তির পথ।
শেষ কথা
বড় পীর আব্দুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর সাথে সম্পর্কিত এই প্রচলিত কাহিনি আমাদেরকে অহংকার ত্যাগ করে দয়া ও তাকওয়ার পথে চলতে বলে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে নম্রতা, দয়া এবং সঠিক পথে অটল থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।
নোট: এই পোস্টে প্রচলিত শিক্ষণীয় কাহিনির আলোকে আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে। কোনো কপিরাইটযুক্ত স্ক্রিপ্ট কপি করা হয়নি। ভিডিও অফিসিয়াল ইউটিউব থেকে এমবেড করা হয়েছে।
ওয়াজ গজল হাদিস দেখে আপনার মতামত কমেন্টে জানান
শুধু অফিসিয়াল ওয়াজ গজল হাদিস শেয়ার করা হয় • কোনো ডাউনলোড লিংক নেই